নার্সিং ভর্তি পরিক্ষা ২০২০-২১ সার্কুলার
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো,
নার্সিং ভর্তি পরিক্ষা ২০২০-২১ এর বিজ্ঞপ্তি কেমন হবে ও কিভাবে এপ্লাই করা যায় ও কিভাবে ভালো করা যাবে পরিক্ষাতে সেই সম্পর্কে কিছু টিপস নিয়ে। এবং কিছু প্রশ্ন উত্তর ও সাজেশন নিয়ে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি.
অভিন্ন ভর্তি পরিক্ষার মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম বর্ষ বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সে ২০২০-২০২১ শিক্ষা বর্ষে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের নিকট হতে আবেদন আহবান করা হবে।
ভর্তির আবেদন "বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল প্রণীত নীতিমালা ২০১৯ অনুযায়ী অনলাইনে নির্ধারিত ছকে ও নিন্মলিখিত শর্তাধীনে আহ্বান করা হবে।
১) আবেদনকারিকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২) প্রার্থী যে শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করবে সেই ইংরেজি সাল" ২০১৯" এবং তৎ-পুর্ববর্তী "২০১৮" ইংরেজি সালে "এইচএসসি" কিংবা সমমানের পরিক্ষায় পাশ এবং ধারাবাহিকভাবে এর অব্যবহিত পুর্ববর্তী দুই ইংরেজি সালের (২০১৭ ও ২০১৮) মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষায় উত্তীর্ণরা আবেদনের যোগ্য হবেন।
৩) ব্যাচেলর আব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসসি ইন নার্সিং) :- বিজ্ঞান বিভাগ থেকে "এসএসসি" ও ""এইচএসসি" বা দুটি সমমানের পরিক্ষার মোট জিপিএ "৭.০০" থাকতে হবে।তবে কোনো পরিক্ষায় জিপিএ "৩.০০" এর কম হবে না,এবং উভয় পরীক্ষার জীববিজ্ঞানে "৩.০০" থাকতে হবে।
৪) ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি :- যে কোনো বিভাগ হতে ""এসএসসি ও এইচএসসি" বা সমমানের দুটি পরিক্ষায় মোট জিপিএ "৬.০০" থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরিক্ষায় জিপিএ "২.৫০" এর কম হবে না,(বিঃদ্রঃ ছেলে মেয়ে উভয়-ই আবেদন করতে পারবে)
* ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি :- যে কোনো বিভাগ হতে ""এসএসসি ও এইচএসসি" বা সমমানের দুটি পরিক্ষায় মোট জিপিএ "৬.০০" থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরিক্ষায় জিপিএ "২.৫০" এর কম হবে না,(বিঃদ্রঃ শুধুমাত্র মেয়েরাই আবেদন করতে পারবে)
৫) ১০০ নম্বরের ১০০ টি এম সি কিউ"MCQ" প্রশ্নেত জন্য ১ ঘন্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
* বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সে ভর্তি পরিক্ষার বিষয় ভিত্তিক নম্বর বিভাজন:- বাংলা ২০,ইংরেজি ২০,গনিত ১০,বিজ্ঞান ৩০( জীব, বিজ্ঞান,পদার্থ ও রসায়ন) ও সাধারণ জ্ঞান ২০ অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে হবে।
* ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি :- এই কোর্সের জন্য বিষয় ভিত্তিক নম্বর বিভাজন :- বাংলা ২০,ইংরেজি ২০,গনিত ১০,সাধারণ বিজ্ঞান ২৫ ও সাধারণ জ্ঞান ২৫ অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরুক্ষায় অংশ গ্রহন করতে হবে।
* ভর্তি পরিক্ষায় পাশ নম্বর হলো ৪০। পাশকৃত প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং অবিশিষ্ট প্রার্থীরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে।
৬) এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরিক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ৫০ নম্বর নির্ধারণ করে নিম্নলিখিত ভাবে প্রার্থী মূল্যায়ন করা হবে।
এসএসসি/সমমানের পরিক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ৪ গুনিতক.
যদি কেউ জিপিএ ৫.০০ পায় তাহলে ৫*৪=২০, এভাবে হবে।
এইচএসসি/সমমানের পরিক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ৬ গুনিতক।
যদি কেউ জিপিএ ৫.০০ পায় তাহলে ৫*৬=৩০, এভাবে হবে।
★বর্নিত পদ্ধতিতে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরিক্ষায় নম্বর যোগ করে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
★লিখিত পরিক্ষায় ১০০ নম্বরের মাঝে ৪০ নম্বর পেতেই হবে।লিখিত পরিক্ষায় ৪০ নম্বরের কম নম্বর প্রাপ্তরা অকৃতকার্য বলে গন্য হবে।
৭) বাংলাদেশের নাগরিক যারা বিদেশী শিক্ষা ( O-level/ A Level) করিকুলামে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে,তাদের মার্কশীট সমুহ বাংলাদেশের প্রচলিত জিপিএ তে রুপান্তর করে Equivalence Certificate ভর্তির সময় জমা দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে তাদেরকে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলে আবেদন করে Equivalence Certificate বা সমতাকরণ সনদ গ্রহণ করতে হবে।
৮) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের নম্বর পত্র(মার্কশীট) স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সঠিকতা যাচাই (ভেরিফিকেশ) করে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলে জমা দেওয়া লাগবে।
৯) মুক্তিযোদ্ধা কোটার দাবিদার সন্তানদের সন্তার এর ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক জারীকৃত বিধি-বিধান অনুসরণ করা হবে।
১০) ব্যাচেলর অব নার্সিং সায়েন্স ( বিএসসি ইন নার্সিং) এবং ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কোর্সে বিদ্যমান আসনের মধ্যে ৯০% মহিলা ও ১০ পুরুষ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
(বিঃদ্রঃ ২০২০-২০২১ থেকে ৮০% মহিলা ও ২০% পুরুষ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি)
১১) জেলা কোটার স্বপক্ষে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ পৌরসভার মেয়র/ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিল এর নিকট হতে নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করতে হবে।
১২) ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি/ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
পরিক্ষায় ভালো করার জন্য কিছু টিপস.
১) আপনাকে অবশ্য-ই বিগত বছর গুলোর প্রশ্ন গুলো ভালো ভাবে পড়তে হবে।
২) খেয়াল করলে দেখবেন,একই ভাবে প্রশ্ন গুলো আসে না,কিছু বেশি বা কম হতে পারে,তাই বিশেষ করে সাধারণ জ্ঞান ও সাধারণ বিজ্ঞান ভালো ভাবে পড়তে হবে।
৩) আর সব সময় দেখবেন যে বিষয় গুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে,তেমন গুলো বেশি পড়ার।
কারন একই প্রশ্ন বার বার না আসলেও একই টপিক থেকে প্রশ্ন কিছু বার বার আসে।
৪) সব সময় সাম্প্রতিক বিষয়ের উপর বেশি নজর দিবেন,এটা যে কোনো কিছুর-ই হোউক
তাই কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ফলো করতে পারেন।

No comments