ভালোবাসা নাকি সাইকোলজিকাল সমস্যা | Love Or Psychological Problem
আজকাল প্রায়ই দেখি ভালোবাসার নামে আত্মহত্যা ব্যাপারটা বেড়ে গেছে। আর মৃত ব্যক্তির আইডিতে গিয়ে আমরা কেউ মাওলানা হয়ে যাই, কেউ তার বোকামির জন্য গালাগাল করে, কেউ হাসাহাসি করে। সে যাক গে, কথা হলো মরে যাওয়ার পর মানুষটার দিকে নজর না দিয়ে বেঁচে থাকতে নজর দিলে হয়তো একটা তাজা প্রাণকে বাঁচানো যেত।
আজকে দুইটা মানসিক রোগ নিয়ে কথা বলতে এসেছি। রোগগুলোকে সাধারণত আমরা রোগ বলেই মনে করি না। অথচ এক্সট্রিম পর্যায়ে রোগী আত্মহত্যা পর্যন্ত করে বসতে পারে। আর এদিকে আপনি আমি লোকটা মরেছে বলে তার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেলি।
১) #অ্যাডেল_সিনড্রোম
নামটা উদ্ভট হলেও এই রোগটির কথা বললে সবাই চিনবে। বিভিন্ন সিনেমায় এই রোগের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তবে প্রথম পাওয়া যায় ফেঞ্চ লেখক ভিক্টর হুগোর মেয়ে অ্যাডেল হুগোর মাঝে। তার নাম অনুসারে এর নাম রাখা হয়। অ্যাডেল এক ব্রিটিশ মিলিটারি অফিসারকে ভালোবেসে ফেলে। তবে সে তাকে প্রত্যাখান করে আরেকজনকে বিয়ে করে। এতে অ্যাডেল মানসিকভাবে এতোটাই ভেঙ্গে পড়ে যে সে তার স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দূরে চলে যায়।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত তার ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার প্রবল ইচ্ছা মনের ভিতর রাখে এটা জেনেও যে সে তাকে কখনো পাবে না। তারা কল্পনায় সেই মানুষের সাথে কথা বলে এবং তাদের সামনে দেখতেও পায় তারা। তারা অনেক বেশি মানসিক চাপ ও হতাশায় থাকে।
২) #এরোটোম্যানিয়া
রোগটি আমার কাছে বেশ অদ্ভুত লাগে। এই রোগীরা এমন মনে করে যে কেউ তাদের প্রেমে পরেছে। ধরুন আপনি ফেসবুকে কোনো মেয়ে/ছেলেকে রিকুয়েস্ট পাঠালেন। তার সাথে কথা হলো। বেশ কিছুদিন কথা বলার পর আপনাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হলো। আপনি স্বাভাবিক বন্ধুর মতোই তার সাথে হাসি তামাশা করেন এবং তার কষ্টে তাকে সহমর্মিতা দেখান। তবে সে আপনার এই কথাগুলোর মাঝে ভালোবাসার ইঙ্গিত খুঁজে পাবে যদি আপনি তার প্রতি তেমন কোনো অনূভুতি প্রকাশ নাও করে থাকেন। আপনার খুব সাধারন কথা যেমন "কেমন আছো" কথাটিকেও সে প্রেমের ইঙ্গিত বলে ধরে নেবে। এক কথায় এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি সবসময় একটা ফ্যান্টাসির মাঝে থাকে যেখানে বাস্তবতা অন্যকিছু। একটা হলিউড সিনেমা আছে " ফ্রম দ্যা ল্যান্ড অফ দ্যা মুন" এই সিনেমায় রোগটির বর্ননা পাওয়া যায়।
#psychological_post_5
#কার্টেসি_sultana_parveen আপু 💕
আজকে দুইটা মানসিক রোগ নিয়ে কথা বলতে এসেছি। রোগগুলোকে সাধারণত আমরা রোগ বলেই মনে করি না। অথচ এক্সট্রিম পর্যায়ে রোগী আত্মহত্যা পর্যন্ত করে বসতে পারে। আর এদিকে আপনি আমি লোকটা মরেছে বলে তার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেলি।
১) #অ্যাডেল_সিনড্রোম
নামটা উদ্ভট হলেও এই রোগটির কথা বললে সবাই চিনবে। বিভিন্ন সিনেমায় এই রোগের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তবে প্রথম পাওয়া যায় ফেঞ্চ লেখক ভিক্টর হুগোর মেয়ে অ্যাডেল হুগোর মাঝে। তার নাম অনুসারে এর নাম রাখা হয়। অ্যাডেল এক ব্রিটিশ মিলিটারি অফিসারকে ভালোবেসে ফেলে। তবে সে তাকে প্রত্যাখান করে আরেকজনকে বিয়ে করে। এতে অ্যাডেল মানসিকভাবে এতোটাই ভেঙ্গে পড়ে যে সে তার স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দূরে চলে যায়।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত তার ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার প্রবল ইচ্ছা মনের ভিতর রাখে এটা জেনেও যে সে তাকে কখনো পাবে না। তারা কল্পনায় সেই মানুষের সাথে কথা বলে এবং তাদের সামনে দেখতেও পায় তারা। তারা অনেক বেশি মানসিক চাপ ও হতাশায় থাকে।
২) #এরোটোম্যানিয়া
রোগটি আমার কাছে বেশ অদ্ভুত লাগে। এই রোগীরা এমন মনে করে যে কেউ তাদের প্রেমে পরেছে। ধরুন আপনি ফেসবুকে কোনো মেয়ে/ছেলেকে রিকুয়েস্ট পাঠালেন। তার সাথে কথা হলো। বেশ কিছুদিন কথা বলার পর আপনাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হলো। আপনি স্বাভাবিক বন্ধুর মতোই তার সাথে হাসি তামাশা করেন এবং তার কষ্টে তাকে সহমর্মিতা দেখান। তবে সে আপনার এই কথাগুলোর মাঝে ভালোবাসার ইঙ্গিত খুঁজে পাবে যদি আপনি তার প্রতি তেমন কোনো অনূভুতি প্রকাশ নাও করে থাকেন। আপনার খুব সাধারন কথা যেমন "কেমন আছো" কথাটিকেও সে প্রেমের ইঙ্গিত বলে ধরে নেবে। এক কথায় এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি সবসময় একটা ফ্যান্টাসির মাঝে থাকে যেখানে বাস্তবতা অন্যকিছু। একটা হলিউড সিনেমা আছে " ফ্রম দ্যা ল্যান্ড অফ দ্যা মুন" এই সিনেমায় রোগটির বর্ননা পাওয়া যায়।
#psychological_post_5
#কার্টেসি_sultana_parveen আপু 💕


No comments